'মা' আপনি কেমন আছেন

একটু নিজের জন্য ভাবনার সময় হবে কি আপনার? ছেলেটি বা মেয়েটি কে একটু নিজের খেলা খেলতে দিয়ে কাউকে তার নজরদারিতে রেখে দিন কিছুক্ষণ।
আসুন একটু শান্ত হয়ে বসুন। বেশী অস্থিরতা থাকলে একটু চোখ মুখে পানি ঝাপটা দিন। একটু হেলান দিয়ে বসে আলতো করে চুল টা মেলে দিন। একটু নিজের কপালের ঘামটা মুছে নিয়ে স্বস্তি নিয়ে হাসুন। একটু জিরিয়ে নিন। বড় একটা নিঃশ্বাস নিন। কিছুক্ষণ চোখ খুলে আয়নাতে নিজেকে একটু দেখুন। কেমন আছেন আপনি। আপনার পছন্দের কোন গান কি মনে মনে গাইতে ইচ্ছা করছে? একটু গুন গুন করে গেয়ে নিন দেখি। নিজের কোন যত্নের কাজ করতে মন চাইছে, এই যেমন একটু হাতের নখ কাটা, পা টা কে একটু যত্ন নেয়া, বা একটু হাল্কা ব্যায়াম। কুসুম গরম বা এই গরমে কলের পানিতে গা ভিজিয়ে একটু শান্ত গোসল করা। মা কিছু মুহূর্ত মনটা নিজের কাছেই রাখুন। চুলায় কি বসাবেন, কাজ কি বাকি, ছেলের কি হল, মেয়েটা কি করছে, এসব দশ পনেরো মিনিট পরেও দেখা যাবে।
'মা' দিন না নিজেকে প্রতিদিন এই ১০ মিনিট। শখের বইটা ধরে দেখা হয়না কত দিন। কেউ হয়ত ছবি আঁকতেন একটা সময়, কবিতাই হয়ত লিখতেন, লিখুন না আবার, আঁকুন না আবার মন খুলে। এই সময় অন্য কারো জন্য নয়, শুধু নিজের জন্যই রাখুন। এটা স্বার্থপরতা নয়। বরং অনেক বড় আত্মত্যাগ।
নিজেকে আরও শক্তি নিয়ে , মনোবল নিয়ে, এই সমাজের জন্য, সন্তানের জন্য, ভালবাসার মানুষগুলোর জন্য প্রস্তুত করার মত বড় বিনিয়োগ। এটুকু দিয়ে হোক শুরু, দেখুন কয়েকদিন পর এই শুরুটা আপনাকে কত আত্মবিশ্বাস দিবে, কতটা আত্মতৃপ্তি দিবে, শান্তি দিবে। তখন কিন্তু আমাকে খুঁজবেন ধন্যবাদ দিতে। এ আমি বলে রাখলাম।
আপনি 'মা' , আপনার জন্য রইল শুভকামনা।
লেখা
শাম্মী আক্তার

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন